সুবর্ণা মরিয়া প্রমাণ করিল, সে মরে নাই । আর মরেনি বলেই হয়ত অন্তর্বর্তী সরকার সাদ্দামকে ছয় মাসের অন্তর্বর্তী জামিন দিয়েছে । জেল থেকে বের হয়ে সাদ্দাম এখন স্ত্রী কানিজ সুবর্ণা ও নয় মাস বয়সী সন্তান নাজিফের সাথে শান্তিতে জীবন পার করবে ! এ যেন সিনেমার হ্যাপি এন্ডিং । আহ! কী মানবিক সরকার আমরা পেয়েছি! ভাইরাল হলেই জামিন। সন্ধ্যায় গ্রেপ্তার হলে গভীর রাতে জামিন । স্ত্রী-সন্তান আত্মহত্যা করার পর জামিন ! হায় আল্লাহ খালেদ! জামিন দিয়েই সকলের মন জয় করছি । জামিন দিতে দিতেই আরেকটি নোবেল শান্তি পুরস্কার আসবে ।
কিন্তু বাড়ি এসে তো দেখবে ছেলে–বউয়ের কবর, তাহলে এই জামিন দিয়ে কী হবে?
সাদ্দাম ও তার পরিবার
কিন্তু সাদ্দামের গল্পতো শেষ হইয়াও হইলো না শেষ । যেটিকে আমরা হ্যাপি এন্ডিং ভাবছি , সেটিতো এন্ডিং না , বরং ক্লাইম্যাক্স । অন্তর্বর্তী বিরতি আরকি! সাদ্দামের মা দেলোয়ারা একরাম বলেছেন, ‘আমি এখন কী বলব, জামিন হইছে, আগেও জামিন চাইছি। আগে কয়েকবার জামিন হয়েছে কিন্তু বের হতে পারেনি। এখন জামিন হওয়া আর না হওয়া সমান কথা। তারপরও জামিন হয়েছে ভালো কথা, কিন্তু বাড়ি এসে তো দেখবে ছেলে–বউয়ের কবর, তাহলে এই জামিন দিয়ে কী হবে?’
এই জামিন দিয়ে কী হবে ? এখান থেকেই বরং সাদ্দামের নতুন জীবনের গল্প শুরু হবে । একজন ব্যর্থ স্বামীর গল্প । সন্তানকে কোলে নিতে না পারার গল্প । একজন জীবন্মৃতের গল্প । সাদ্দাম এই সমাজ, এই রাষ্ট্রের কাছে আর প্রোডাক্টিভ কেউ না । সাদ্দাম রাজনীতিতে আর প্রোডাক্টিভ কেউ হতে পারবে না । কারণ তার যুদ্ধ শুরু হবে নিজের সাথে । নিজের মানসিক যন্ত্রণার বিরুদ্ধে । যে যুদ্ধে জিতে আসাটা খুবই কঠিন । সাদ্দাম হয়ত কাউন্সিলিং এর মাধ্যমে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারবে , কিন্তু প্রোডাক্টিভ কেউ হতে পারবে না । এটাই সাইকোলজিক্যাল ওয়্যার । এই সাইকোলজিক্যাল ওয়্যারেই জুলাই-আগস্টে পরাস্ত হয়েছে আওয়ামীলীগ । এক যুগের বেশি ক্ষমতায় থাকার পরেও তাসের ঘরের মত হুড়মুড় করে ভেঙে পড়েছে ।
বাংলাদেশের জেলখানাগুলোর অভ্যন্তরীণ যে পরিস্থিতি , তাতে আওয়ামীলীগ ও তার সহযোগী সংগঠনের অধিকাংশ নেতাকর্মিই আর স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারবে না । মানসিকভাবে বিপর্যস্ত বা সাইকোলজিক্যালি ড্যামেজ নেতাকর্মি দিয়ে পূর্ণ হবে দলটি । এই বিষয়টিকে যদি দলটি যথাযথ গুরুত্ব না দেয় , অর্থাৎ এই ক্ষত সাড়াতে যদি বৈজ্ঞানিক পদক্ষেপ গ্রহণ না করে –তাহলে আরো চরম মূল্য দিতে হবে আওয়ামীলীগকে । দলটির ভুলে গেলে চলবে না যে , তারা ‘এ বাঞ্চ হফ হিপোক্রেটে’র কাছে আপাত পরাস্ত হয়েছে ।
সাদ্দামের বিষয়টি একটি কেস স্টাডি মাত্র । এ রকম হাজার হাজার সাদ্দাম জেলখানায় বন্দি আছে । তাদের প্রত্যেকে জামিন পেলেও এত দিনে যে ক্ষতি হয়েছে , তা কাটিয়ে ওঠা খুবই কঠিন । কাজেই, এ জামিন লইয়া আমরা কী করিব ?
হামে আক্রান্ত ও হামের উপসর্গ নিয়ে সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ জন মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে। আটজনের মধ্যে দুইজন হাম...
সমসাময়িক সময়ে এমন হেঁটে হেঁটে অফিস করতে দেখেছিলাম সাবেক মন্ত্রী “পলক” ওরফে আইসিটি পলককে। সময়টি তখন ভাইরাল যুগের আদি স্তর। শেরে বাংলা নগর বা আগারগাঁও-তে পলককে হাঁটা বাবা রূপে হাঁটতে দেখা গেল। দন্ত বিকশিত করে...
আয়নাবাজি যদি হয় “আর্ট”, ইউনূস তাহলে পারফেক্ট আর্টিস্ট । ১৯৫০ -১৯৬০ সালের মধ্যে দক্ষিণ এশিয়া , আফ্রিকা এবং লাতিন আমেরিকায় ক্ষুদ্র ঋণ জনপ্রিয় হয়ে ওঠে । এই থিমকে কাজে লাগিয়ে ক্ষুদ্র ঋণকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেন অধ্যাপক ড...
Add comment