চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সমন্বয়ক হুমায়ুন কবির প্রধান উপদেষ্টার উদ্দেশে বলেছেন, ‘একজন অথর্ব বিকলাঙ্গ মানুষকে আপনি বিডা’র চেয়ারম্যান (বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিডা’র চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরীকে ইঙ্গিত করে, তবে নাম উল্লেখ না করে) বানিয়ে রেখেছেন। আপনি যাকে দিয়েছেন সে একটা কমিশন খোর। সে ছয়শত কোটি টাকা কমিশন খাওয়ার জন্য চট্টগ্রাম বন্দরকে, বন্দরের এনসিটিকে বিদেশিদের হাতে তুলে দিতে চায়। আমরা তার স্বপ্নকে দুঃস্বপ্নে পরিণত করবো ইনশা আল্লাহ’।

মো. হুমায়ুন কবির আরো বলেন, নৌপরিবহন উপদেষ্টা দুর্নীতিবাজদের পাহারাদার। এদিকে চট্টগ্রাম বন্দরে ধর্মঘট ইস্যুতে সরকার হার্ডলাইনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহন উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, “কতিপয় লোক পুরো বন্দরকে জিম্মি রাখার চেষ্টা করছে। এ কারণে সরকার হার্ডলাইনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।”
উপদেষ্টা বলেন, সবকিছু বিবেচনায় সরকার হার্ড লাইনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এরই মধ্যে কয়েকজনকে ধরা হয়েছে, বাকিদেরকেও ধরা হবে। আশা করি পোর্ট চালু করতে কেউ যদি প্রত্যক্ষ পরোক্ষভাবে কোনও কিছু করে তাহলে তাকে ধরা হবে। উপদেষ্টা জানান, বন্দর নিয়ে চুক্তি করতে ডিপি ওয়ার্ল্ড আরও সময় চায়। প্রয়োজন হলে নির্বাচনের পরেও আলোচনা চলবে বলেও জানান তিনি।





Add comment