যা আগে বাংলা সিনেমায় দেখা যেত, তারই যেন বাস্তব রূপ দিলেন ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার সেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব জহিরুল ইসলাম লিটন। নাম লিটন হলেও অপকর্মের জন্য সবাই তাকে চেনে কাফা লিটন হিসেবে। মাদক, নারী কেলেঙ্কারী, অবৈধ ব্যবসা, দখল বাণিজ্য, চাদাবাজি, হামলা, মামলা বাণিজ্য, রাহাজানি- এমন কোনো অপকর্ম নেই; যা তিনি করেন না।
তবে এসব কিছুকে ছাপিয়ে নারী কেলেঙ্কারীর দায়ে তিনি এখন সমালোচনার তুঙ্গে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স গরীব,দুঃখী ও অসহায় মানুষের স্বাস্থ্য সেবার জন্য সরকার নির্মাণ করলেও তা এখন লিটনের হেরেমখানায় পরিণত হয়েছে। অসহায় নারীদের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে সকাল-বিকেল-সন্ধ্যা; এমনকি রাতের বেলাতেও তাদের নিয়ে ফুর্তি করেন স্বেচ্ছাসেবক দলের এই নেতা। ক্ষমতার দাপটে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে তিনি রূপান্তরিত করেছেন মাদকের আড্ডা ও হেরেমখানায়।

তবে প্রকাশ্যে এত কিছু ঘটলেও স্থানীয় প্রশাসন রহস্যজনক নীরবতা পালন করছে। আর স্থানীয় বাসিন্দারা ভয়ে মুখ খুলছেন না। যে বা যারাই প্রতিবাদের চেষ্টা করেছেন, তারাই হামলা-মামলা ও ফ্যাসিস্টের দোসর ট্যাগের শিকার হয়েছেন। অবশ্য লিটনের এসব অপকর্মের ঢাল হিসেবে দাঁড়িয়ে আছেন তার আপন সহোদর আব্দুল আলীম মানিক। যিনি আবার মধুখালী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক। এমন দাপুটে পরিবারের বিরুদ্ধে কারই বা মুখ খোলার সাহস থাকে !
নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় বেশ কয়েকজন জানিয়েছেন, ” লিটনের শেল্টার দাতা তারই আপন বড় ভাই। এমতাবস্থায় আমাদের চুপ করে থাকা ছাড়া কোনো উপায় নেই।”
স্থানীয় বিএনপির একাধিক নেতা bdsun.news -কে বলেছেন,” লিটন ও তার বড় ভাই মানিকের দৌরাত্ম্যে আমরা কোথাও মুখ দেখাতে পারছি না। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এত পরিশ্রম করে জনগণের আস্থা অর্জন করার চেষ্টা করছেন, অথচ লিটনদের কারণে তা ম্লান হয়ে যাচ্ছে। হাসপাতাল অসহায় মানুষের স্বাস্থ্য সেবার জন্য নির্মিত হয়েছে, কিন্তু লিটনরা যা শুরু করেছে-তাতে দল ইমেজ সংকটে ভুগছে। আমরা হাইকমান্ডের নিকট এই দুই ভাইয়ের বহিষ্কারের দাবি জানাচ্ছি । “





Add comment